মহাকাশ থেকে ভেসে আসছে অজানা সংকেত! মানব সভ্যতা কি তাহলে মুখোমুখি হতে চলেছে ভিন গ্রহের বাসিন্দাদের!

এক দশকেরও বেশী আলোকবর্ষ দূর থেকে অজানা সংকেত পৃথিবীতে ভেসে আসছে। সৌরজগতে নাকি খুবই ক্ষুদ্র এক গ্রহ আছে। যাকে মহাকাশবিজ্ঞানীরা বামন গ্রহ নামে আখ্যায়িত করেছে। আর সেই গ্রহ থেকেই এই সংকেত ভেসে এসেছে বলে জানাচ্ছেন তাঁরা। আমাদের পরিচিত সূর্যের চেয়ে অন্তত ২৮০০ গুণ ছোট ও ম্লান তারা রস ১২৮।

প্রথমত টেলিস্কোপে লাল রংয়ের এক তারা হিসেবেই শনাক্ত করা হয়েছে। কোন গ্রহ বা উপগ্রহকে এই তারাটিকে প্রদীক্ষন করতে দেখা যায়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বড় একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন যে এখান থেকেই কিছু অজানা ও সম্পূর্ণভাবে অদ্ভুত শব্দ ভেসে আসছে পৃথিবীর দিকে। এর ব্যাখ্যা সঠিকভাবে বলতে পারছেন না কেউই।

বিশ্ববিদ্যালয়টির এক সিঙ্কহোলের ভেতর অবস্থিত আরেসিবো মানমন্দিরের বিশালাকায় রেডিও টেলিস্কোপে ধরা পড়েছে সেই সংকেত। আর প্রশ্নের শুরু এখান থেকেই। মহাকাশের ওই ক্ষুদ্র তারা থেকে কারা সংকেত পাঠাল! জোর গলায় প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ দাবি করছে যে এই সংকেতের পেছনে ভিন্ন গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

সবকিছুর পরেও এই মত জানানো হয়েছে যে মহাকাশে মানুষের তৈরি কোনো যন্ত্র, কোনো উপগ্রহ থেকেও সংকেত ভেসে আসতে পারে। যা ধরা পড়েছে ওই টেলিস্কোপে। মেন্ডেজের দাবি আরেসিবো মানমন্দিরের রেডিও টেলিস্কোপ যথেষ্ট চওড়া হওয়ায় মহাকাশে ভেসে বেড়ানো মানুষের তৈরি কোনো কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে সংকেত তাতে ধরা পড়ার সম্ভাবনা থাকছে।

এই বিষয়কে নিয়ে গবেষণা করাকে অনেকেই নিছক সময় ব্যয় হিসেবে ভাবছেন। এ বিষয়ে বিজ্ঞানীরা জানান, তারা হয়তো পৃথিবীর বাইরেও প্রাণের হদিস পেতে পারেন। তাই তারাও কোনভাবে হাল ছাড়তে চান না।আর যদি তাই হয় তবে অদুর ভবিষ্যতে মানব জাতির সাথে অচিরেই দেখা হতে পারে অজানা গ্রহের বাসিন্দাদের সাথে যা শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র।